সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদের চাঁদ উঠেছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায়। কিন্তু ঈদের সেই আনন্দ তাদের মাঝে নেই। তীব্র ক্ষুধা নিয়ে বোমা ও গুলির আতঙ্কে তাদের সময় কাটাতে হচ্ছে। টানা ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইলের ববর্র আগ্রাসনের কারণে ভূখণ্ডটি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি এবং মানবিক ত্রাণ প্রবেশ করতে দেওয়া ও গণহত্যা প্রতিরোধের জন্য ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের আদেশ সত্ত্বেও গাজা উপত্যকায় রক্তপাত চলছে। আর এর মধ্য দিয়ে ম্লান হয়ে গেছে ফিলিস্তিনিদের ঈদ উদযাপন। শোক, কান্না, হতাশা ও বিষাদে রূপ নিয়েছে গাজাবাসীর ঈদ।
নারী-শিশুসহ প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের মৃত্যু, প্রিয়জন হারানোর বেদনাই এখন সঙ্গী হয়েছে গাজার মানুষের। এই অবস্থার ভেতরেই ফিলিস্তিনে এসেছে ঈদ।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, রমজান মাসের সমাপ্তি উপলক্ষ্যে এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরকে স্বাগত জানাতে ফিলিস্তিনিরা তাকবীর পাঠ করে এবং মহান আল্লাহর প্রশংসা করে গাজার রাস্তায় নেমে এসেছেন।
এবারের ঈদ গাজা উপত্যকায় এমন এক সময়ে এসেছে যখন ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডে ব্যাপক অবরোধের পাশাপাশি ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি বিমান হামলা, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং খাদ্য সংকটের মধ্যে রয়েছে।
এদিকে, ঈদ উপলক্ষ্যে ফিলিস্তিনিদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছে হামাস। ঈদুল ফিতরের আগে দেওয়া ওই বিবৃতিতে হামাস গাজায় ফিলিস্তিনিদের তাদের শক্তি এবং অবিচলতার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে।
গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীন এই দলটি টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘পশ্চিম তীরে, জেরুজালেমে, অধিকৃত ফিলিেিনর পাশাপাশি সারা বিশ্বের বাস্তচ্যুত শিবিরে থাকা মানুষ গাজায় আমাদের এবং আমাদের জনগণের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে বলে আমরা আমাদের জনগণকে নিশ্চিত করছি।’
এছাড়া, ঈদ উপলক্ষ্যে আরব ও মুসলিম দেশগুলোকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে হামাস।